বাংলাদেশের কিশোরী ফেলানী খাতুনকে সীমান্তে স্থাপিত কাঁটাতারের বেড়া অতিক্রমের সময় যেভাবে হত্যা করেছিল বিএসএফ, তা একই সঙ্গে বড় খবর ও ইস্যু হয়ে ওঠে। বুলেটবিদ্ধ হয়ে কাঁটাতারে ঝুলে থাকা গরিব ঘরের মেয়েটির ছবি মিডিয়ায় চলে এলে তা আমাদের করে তোলে বেদনার্ত ও ক্ষুব্ধ। দীর্ঘ সময় ওভাবেই ঝুলে ছিল সে।

গুলিবিদ্ধ হয়েও ফেলানী কি বেঁচে ছিল কিছুটা সময়? উপস্থিত বিএসএফ সদস্যদের কেউ কি তাকে ওখান থেকে নামিয়ে দ্রুত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যেতে পারত না?

ছবিটির দিকে তাকানো যায় না। তাকালে কিন্তু দেখতে পাই, দু’জন বিএসএফ সদস্য পাশেই দাঁড়িয়ে আছে। যেন কিছুই ঘটেনি। ফেলানী নিশ্চিতভাবে মারা যাওয়ার পর বধ করা জন্তুর মতো বাঁশে ঝুলিয়ে বিএসএফ সদস্যরা তাকে নিয়ে যাওয়ার ছবিটিও কম হৃদয়বিদারক নয়।

অপদখলীয় জমি নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের পরিণতিতে একবার রৌমারি সীমান্তে বেশ কিছু বিএসএফ সদস্য মারা পড়ে তৎকালীন বিডিআরের হাতে। এ পক্ষেও কয়েকজন নিহত হয়। ওই ঘটনার পর এক নিহত বিএসএফ সদস্যকেও বাঁশে ঝুলিয়ে নিয়ে আসা হয় বাংলাদেশ অংশে। সঙ্গত কারণেই তাতে ভারতে হয়েছিল তীব্র প্রতিক্রিয়া। রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে নিয়োজিত একটি নিয়মিত বাহিনীর সদস্যের লাশের অবমাননা বলে কথা!

তাদের জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছা হয়, পরিবারের সঙ্গে দিল্লিতে কাজের খোঁজে যাওয়া আমাদের খুব সামান্য মেয়ে ফেলানীর সঙ্গেও কি তোমরা এমনটি করতে পার? সীমান্ত আইনের অন্ধ প্রয়োগ ঘটাতে না হয় মারলে তাকে মেটাল বুলেট দিয়ে। এতক্ষণ ঝুলিয়ে রাখলে কেন? আর নামালে যখন– তার দেহটিকে ন্যূনতম মর্যাদাও কেন দিলে না? আমাদের যন্ত্রণাকাতর মন তাতে হয়তো একটু স্বস্তি পেত।

রাজপথে সহিংস বিক্ষোভকারীদের মোকাবেলার সময় আমরা তো দেখি, পুলিশ বা র‌্যাবের একজন কেউ কারও ওপর হিংস্র হয়ে উঠলে অন্যজন এসে তাকে নিবৃত্ত করে। যে গুলি করেছিল ফেলানীকে, তার সঙ্গে থাকা অন্যদের মধ্যেও কিছুটা মানবিক প্রবৃত্তি আশা করা কি বাতুলতা? নাকি তাদের দেওয়াই হচ্ছে অভিন্ন ধারার (মানবিকতাশূন্য হওয়ার) ট্রেনিং?

সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিজিবি (অধুনালুপ্ত বিডিআর)-বিএসএফে কম বৈঠক তো হয় না। পররাষ্ট্র সচিব বা মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকেও সীমান্তহত্যাসহ এ সংক্রান্ত বিষয় উঠে আসে। এটাও বার কয়েক উঠে এসেছে যে, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের সময় গ্রেফতার চেষ্টার বদলে কেন গুলিই করা হচ্ছে আর তাতে ব্যবহৃত হচ্ছে মেটাল বুলেট? রাবার বুলেটও ব্যবহৃত হতে পারে এ ক্ষেত্রে, নাকি?

প্রয়োজনে এ ধরনের বুলেট ব্যবহার করা হলে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যার ঘটনা অন্তত কমত। এ ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল সমস্যা অবশ্য রয়েছে। বিএসএফকে তাহলে মেটাল বুলেটের সঙ্গে রাবার বুলেট নিয়েও ঘুরে বেড়াতে হবে। আমাদের সীমান্তরক্ষীদেরও। নিরাপত্তা ও সমর বিশেষজ্ঞরা (আমাদের মতো সাধারণ মানুষের প্রত্যাশায় গুরুত্ব দিতে গিয়ে) এমন সম্ভাবনা ধরে স্পষ্টতই এগোতে চাইছেন না।

আলোচনায় গেলে তারা হয়তো বলে বসবেন, সীমান্ত অর্থাৎ ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিতরা মেটাল বুলেটই ব্যবহার করবে। রাবার বুলেট ব্যবহার করা যেতে পারে দেশের অভ্যন্তরভাগে– রাজপথে সহিংস বিক্ষোভ মোকাবেলায়। আমরা অবশ্য বুঝতে চাইব, পরস্পরের সীমান্তরক্ষীরা মেটাল বুলেট নিয়ে ঘুরে বেড়ালেও বিশ্বের সিংহভাগ সীমান্ত কীভাবে শান্তিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে?

হত্যাসহ নানা রকম নেতিবাচক ঘটনার জন্য আলোচিত সীমান্ত কিন্তু হাতেগোনা যায়। দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত তার মধ্যে পড়েছে। বলা যায় না, নিবন্ধটি পাঠকের কাছে পৌঁছার আগেও এ সীমান্তের কোথাও কোনো হত্যাকাণ্ড ঘটে যেতে পারে। মাদক বা আগ্নেয়াস্ত্র পাচারকারীর বদলে এর শিকার ব্যক্তিটি হয়তো হবে বাংলাদেশের কোনো গরু ব্যবসায়ী।

স্বীকার করা দরকার, এমন অনেক ব্যবসায়ীর সক্রিয়তায়ই এ দেশে মাংসের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। সীমান্তে দৃশ্যমান না হলেও ভারতীয় পক্ষও উপকৃত হচ্ছে এতে। বিজিবি-বিএসএফে এক ধরনের সমঝোতা ছাড়া এমন ব্যবসা সম্পাদিত হওয়ার কথা নয়। তার মধ্যেই আবার ঘটে চলেছে মেটাল বুলেট ব্যবহারের ঘটনা। বিশেষ বিশেষ কেইসে ‘সমঝোতা’ ভেঙে যাওয়াতেই নাকি বিএসএফ এসব হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে।

গরু চোরাচালান বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সীমান্তে বাড়ছে হত্যার ঘটনা। মাদক ও অস্ত্রের মতো ঝুঁকিপূর্ণ বস্তুর চোরাচালানও কম হচ্ছে না বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে। কে না জানে বাংলাদেশের সমাজ ও রাজনীতিতে এর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাবের কথা। ‘ট্রিগারহ্যাপি’ বিএসএফের কারণে ঠিক এ ধরনের চোরাচালান যদি কিছুটা কমত, তাহলে আমরা হয়তো একটু স্বস্তি পেতাম।

সিংহভাগ ক্ষেত্রেই কিন্তু মারা পড়ছে নিরীহ বাংলাদেশি। আইনি পরিভাষায় বিএসএফ এদের হয়তো ‘নিরীহ’ বলবে না। ফেলানীকেও বলবে আইন ভঙ্গকারী। সে যেভাবে দালালের সহায়তায় মই বেয়ে কাঁটাতার অতিক্রম করতে যাচ্ছিল, আইনের দৃষ্টিতে সেটা অপরাধ। কিন্তু ফেলানী তো কোনো বিপজ্জনক অপরাধী ছিল না; তার কাছে ছিল না কোনো আগ্নেয়াস্ত্র। তাছাড়া সে ভারত থেকে প্রবেশ করতে চাইছিল বাংলাদেশে।

বিএসএফের জানার কথা নয়– আমরাও পরে জেনেছি, তার বিয়ের ব্যবস্থা হয়েছিল গ্রামের বাড়িতে। বাংলাদেশের গরিব ঘরের অনেক মেয়ের এখনও কিশোর বয়সে বিয়ে হয়ে যায়। সেটা রোধের চেষ্টাও আছে। বিদ্যালয়ে যাওয়ার বদলে তাদের শ্রমপ্রক্রিয়ায় জড়িয়ে পড়াটাও রোধ করা যাচ্ছে না সেভাবে। ফেলানীর ক্ষেত্রে আবার দেখা গেল, তার ও সে পরিবারের সদস্যদের কর্মক্ষেত্র হল ভারত। কলকাতাও নয়– দিল্লি।

কলকাতায়ও অনেক বাংলাদেশি মেয়েকে পাওয়া যাবে গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত। তারা মূলত সীমান্তপথেই যাতায়াত করে, পাসপোর্ট ছাড়া। এজন্য একটা ‘স্মার্ট’ ব্যবস্থা নাকি গড়ে উঠেছে সীমান্তের একাধিক পয়েন্টে। বিএসএফ সদস্যদের এসব ‘ডেভেলপমেন্ট’ কি অজানা? তার বাবা ও ফেলানী হয়তো একটা আনস্মার্ট পদ্ধতিতে অর্থাৎ ‘সমঝোতা’ এড়িয়ে অতিক্রম করতে চেয়েছিল কাঁটাতারের বেড়া। সেজন্যই কি মাসুল দিতে হল তাকে?

কাঁটাতারে স্যুয়েটার জড়িয়ে যাওয়ায় ভয়ে নাকি চিৎকার জুড়ে দিয়েছিল মেয়েটি। ভয়ে যে ওভাবে চিৎকার জুড়ে দেয়, সে কি জঙ্গি হতে পারে? কাঁটাতারে আটকে যাওয়ায় তাকে কিন্তু সহজেই গ্রেফতার করতে পারত বিএসএফ। গ্রেফতার যে তারা একেবারেই করে না, তা তো নয়। সীমান্ত অতিক্রম করে এসে ধরেও নিয়ে যায়। ‘বিচার’ করে শাস্তি দেয়; ফেরতও দেয়। ফেলানীর ক্ষেত্রে ঘটল কেবল হত্যাকাণ্ড।

তাও ভালো, দেরিতে হলেও এতে দায়দায়িত্ব নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় গিয়েছিল বিএসএফ। তার নিজস্ব আদালতে ফেলানী হত্যার একটা বিচার হয়ে গেল সম্প্রতি। সমস্যা হল যে, প্রথম বলেই হয়তো এটি নিয়ে অতিউৎসাহী আলোচনা শুরু হয়েছিল এদেশে। অনেকে যেন বুঝতেই পারলাম না, ফেলানী হত্যার তদন্ত ও বিচার করছে তারা– যারা তাকে ওই রকম নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল।

আমাদের দেশেও কি কোনো বিধিবদ্ধ বাহিনীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিভাগীয় তদন্ত ও বিচার সুষ্ঠুভাবে হয়? আর এটা তো সীমান্তে অন্য দেশের নাগরিক হত্যার ব্যাপার। এর যেমন বিচার করলে তাদের সুবিধা, তেমন বিচারই করেছে বিএসএফ। ফেলানী হত্যায় অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্যটি এ ক্ষেত্রে দায়মুক্ত হয়েছে এবং এর মধ্যে সে কারামুক্তও হয়েছে বলে খবর মিলল। আদালতটি হয়তো প্রমাণ করতে সমর্থ হয়েছে যে, বিএফএফের আইন লঙ্ঘন করে ওই ব্যক্তি কিছু করেনি; সে বরং স্বাভাবিক আচরণ করেছে!

পছন্দ হোক বা না হোক, রাষ্ট্র ও এর বিধিবদ্ধ বাহিনীগুলো কিন্তু এভাবেই কথা বলে। ফেলানীর ওই রকম মৃত্যুর ঘটনা আমাদের যেভাবে আর যতটাই নাড়া দিক, ভারতীয় রাষ্ট্রযন্ত্রের কাছে সেটি একটি ঘটনা মাত্র। হয়তো দুর্ভাগ্যজনক, কিন্তু ফেলানী তাদের কাছে একটি সংখ্যা। দেশে-বিদেশে ইস্যু হয়ে উঠেছিল বলেই হয়তো তারা নিজেরা মামলা করে এর একটি বিচার করেছে এবং করেছে অভিযুক্ত বাহিনীটির আদালতে। এর সীমাবদ্ধতা ও চালাকিটি আমরা ধরতে পারলাম ফেলানী হত্যায় একটা বিতর্কিত রায় হয়ে যাওয়ার পর!

আমাদের অসহায় প্রতিক্রিয়া দেখে ভারতীয় হাইকমিশন অবশ্য বলেছে, বিচারের প্রাথমিক প্রক্রিয়া এটি। এর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সুনাম আছে বৈকি। তাদের কিছু রায় রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হয় আমাদের উচ্চ আদালতেও। কিন্তু সে কোর্টে আপিল করতে হলে তা করতে হবে ভারত সরকারকেই। তেমন পদক্ষেপ কি তারা নেবেন? এটি তো আত্মঘাতী হতে পারে ভারতের জন্য?

দেশটির উচ্চ আদালত যদি ফেলানী হত্যার ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক কোনো রায় দিয়ে বসেন? তখন কি এ প্রকৃতির আরও সীমান্তহত্যার ঘটনায় বিচার অনুষ্ঠানের দাবি উঠবে না? বিএসএফের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আমরা সাধারণত যা বলে থাকি, সেটাই কি প্রতিষ্ঠিত হবে না বিশ্বের কাছে? প্রমাণ হয়ে যাবে না, বন্ধুরাষ্ট্র হয়েও ভারত যে আচরণ করছে বাংলাদেশ সীমান্তে– সেটি অনেকটা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মতো?

এমন প্রশ্ন কিন্তু এরই মধ্যে উঠেছে যে, পাকিস্তান বা চীন সীমান্তে তো বিএসএফ ‘ট্রিগারহ্যাপি’ নয়। আর নেপাল-ভুটান সীমান্তে তারা উদার। এতে বোঝা যায়, সীমান্তে বাহিনীটির আচরণ কেবল শক্তির ভারসাম্য দিয়ে নির্ধারিত হচ্ছে না– হচ্ছে দেশটির পররাষ্ট্রনীতি দিয়েও। বিএসএফ কি তাহলে এমন ধারণা নিয়ে বসে আছে যে, বাংলাদেশের প্রতি ভারতের পররাষ্ট্রনীতি কঠোর?

ফেলানী হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত যা হয়ে গেল, তাতে দেশের সাধারণ মানুষের আহত অনুভূতির দিকে তাকিয়ে হলেও আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য সিরিয়াস হতে হবে। বিএনপির পক্ষ থেকে এরই মধ্যে প্রশ্ন তোলা হয়েছে তাদের সিরিয়াসনেস নিয়ে।

ওই দল বা জোটের সরকার রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকাকালে তারা সীমান্তহত্যা বন্ধে কী করেছিলেন বা করতে পেরেছিলেন, সে প্রশ্ন তুলে লাভ নেই। তাদের একটা ভারতবিরোধী ইমেজ আছে। সেখান থেকে কিছু ফায়দা তারা পেতেই থাকবেন– যতক্ষণ না আওয়ামী লীগ নিজ অবস্থান স্পষ্ট করছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের নীতি ও আচরণের বিষয়ে ঝেড়ে কাশতে হবে দলটিকে।

বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন আগের অবস্থায় নেই। খাদ্য নিরাপত্তায়ও আর সেভাবে ভারতনির্ভর নই আমরা। জঙ্গিবিরোধী অবস্থান ও ‘কানেকটিভিটি’ বাড়ানোর ক্ষেত্রে সাহসী, যুগোপযোগী পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়েও এসেছি আমরা। বাংলাদেশকে এখন গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে ভারতকে।

সে ক্ষেত্রে অন্যান্য সীমান্তের চেয়ে ভিন্ন বিবেচনায় হলেও বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কর্মরত বিএসএফকে নতুন নির্দেশনা দিতে হবে দেশটির নীতিনির্ধারকদের। বিএসএফ দিল্লির নির্দেশনা মেনে চলবে না, এটা মনে করার কোনো কারণ নেই।

বদ্ধ অর্থনীতি থেকে একটু দেরিতে হলেও উদার হওয়ার দিকে দ্রুত এগোচ্ছে ভারত। এতে সুফলও পাচ্ছে। এত বড় একটা অর্থনীতি বেশি হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন করলে সেটি তো এলাহী ব্যাপার।

এ অবস্থায় ফেলানীর মতো দরিদ্র পরিবার কাজের খোঁজে আরও বেশি করে ভারত যেতে চাইলে তা দোষের হবে না। গুলি করে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখার ‘বীরত্ব’ না দেখিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে এখন বরং পরিবর্তিত বাস্তবতা বুঝে দু দেশে যাতায়াত সহজীকরণের উদ্যোগ নিতে হবে।

সেটি একদিন হয়ে গেলেও কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর জীবনসংগ্রামী ফেলানীকে আমরা ভুলব না। কাঁটাতার থেকে ঝুলে পড়া তার একটি হাতে সস্তায় কেনা সোনালি চুড়ির কথা কী করে ভুলব?

সত্যি, ছবিটির দিকে তাকানো যায় না।