বর্তমানে মিডিয়ায় একটা একটা কথা তোতাপাখির মতো মুখস্ত করে ফেলেছে 
বিএনপি – জামাত হচ্ছে জঙ্গিবাদের দল। রাজনিতিক কর্মসূচীগুলোকেও আম্লিগ এবং তাদের দোসর মিডিয়া ”জঙ্গিবাদি” কর্মসূচী ঘোষণা করছে। যা দেশের জন্য অশনি সংকেত । আসুন দেখে নেই কিছু জঙ্গিবাদি কাজ কারা করেছে আর কারা দমন করেছে
> ২০০১ সালে জাতীয় নির্বাচনের আগে একটা জঙ্গি নাটক খুব দরকার ছিল।

২০০০ সালের ২২ জুলাই গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার সমাবেশস্তল থেকে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা উদ্ধার করে পুলিশ । যেহেতু বিস্ফোরিত হয়নি তাই ওজন একটু বেশী না হলে নিউজ টা পাকাপোক্ত হয় না।
এই বোমা পুতে রাখার সাথে জড়িত কে ? 
গোপালগঞ্জেরই সন্তান মুফতি আবদুল হান্নান
২দিন আগের খবর এই মামলার শুনানি আরও ২দিন পিছাইছে , আজ পর্যন্ত কোন সাক্ষী হাজির করতে পারে নাই ।
> ২০০০ সালের টা ফ্লপ মারায় নতুন নাটক 
২০০১ সালের পহেলা বৈশাখ রমনা বটমূলে হামলা। ১০ জন নিহত হয় । 
এবারও দোষী কে ? সেই মুফতি আবদুল হান্নান এর সংগঠন হুজি ।
রমনা হামলা মানুষ নাড়া দিয়ে দেয়, মানে যারা হামলা করেছে তারা সফল, 
বোমা হামলার ধোঁয়া বাতাসে মেশার আগেই সরকার দলীয় লোকজন হাতে লিখা ব্যানার নিয়ে মিশাল মিছিল নিয়ে হাজির– সব কিছু কি পূর্ব পরিকল্পিত ছিল ?
অনেক কিছু করার পরেও তারা ২০০১ সালে ক্ষমতা ধরে রাখতে পারেনি ।

জনগণ বিএনপিকে নির্বাচিত করে। কিন্তু আম্লিগ প্রথম দিন থেকেই বিএনপি সরকারকে সুস্থ মত সরকার পরিচালনা করতে দেয়নি ।
বিএনপি আমলে আনোয়ার চৌধুরীর উপর হামলা, ১৭ অগাস্ট সারা দেশে বোমা হামলা এবং ২১ শে অগাস্ট এর দায় চাপানো হয়,
আমার প্রশ্ন হচ্ছে বিএনপি তো ক্ষমতায় ছিল তাহলে এই সব বোমা হামলা তারা কেন করবে ?
বাংলা ভাই কে ? কি তার পরিচয় ? 
বাংলা ভাই আওয়ামিলিগ নেতা মির্জা আজমের বোন জামাই।
২১ অগাস্ট সমাবেশ করার জন্য তো তৎকালীন সরকার মুক্তাঙ্গনে অনুমতি দিয়েছিল তারপরেও কেন আম্লিগ তাদের পার্টি অফিসের সামনে গেল ? ঘাড় টেরামি করে ? কি উদ্দেশ্যে , অবশ্য অনেক আগেই মানুষ তাদের এই উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানতে পারছে।

বাংলা ভাই, আব্দুর রহমান গং দের বিচার করেছে বিএনপি 
ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়েছে বিএনপি । তার পরেও বিএনপি জঙ্গিবাদি দল
১০ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালান ধরা পড়েছে বিএনপি আমলেই ।
কিন্তু এই ১০ ট্রাক অস্ত্র আটকের ঘটনায় ক্রেডিট নেয় আম্লিগ !!
আম্লিগই এই দেশে গান পাওডার এর ব্যবহার করেছে। পুড়িয়ে মানুষ মারা শুরু করেছে। যারা নিজ দলের জ্যান্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারে তাদের কাছে গাড়িতে সাধারণ পাবলিক মারা তো কোন ঘটনাই না ।
জঙ্গিদের বিএনপি বিচার করেছে বলেই হয়তো আম্লিগ নাখোশ 
টা নাহলে বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় কর্নেল গুলজার কে কেন বদলি করে বিডিআর এ এনে হত্যা করা হল ?
এখন আবার শুরু করেছে ইসলাম বিদ্বেষীদের হত্যা করে বিদেশি প্রভুদের খুশি করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে ।
 আম্লিগই চরমপন্থিদল গুলোকে লালন পালন করছে, তাদের ব্যবহার করছে 
আবার সুযোগ বুঝে ফেলে দিচ্ছে।
বর্তমান আন্দোলনে যদি বিএনপি হেরে যায়, তাহলে দেশ পাকিস্তানের চেয়ে ভয়াবহ রূপ নিবে একথা অনস্বীকার্য