সিইসি কে এম নূরুল হুদা গত শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে ভোটে অনিয়ম এড়াতে ইভিএমের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, আগামীতে ভোটে ইভিএম শুরু করে দেব, তাহলে সেখানে আর রাতে বাক্স ভর্তি করার সুযোগ থাকবে না। সহজে বুঝা যাচ্ছে আওয়ামী লীগের দালাল মিঃ বেহুদা আমাদের কি ইঙ্গিত দিচ্ছে।

নুরুল হুদা তার বক্তব্যে সাক্ষ্য দিলেন যে, দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্বাচন কমিশন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার এই বক্তব্য প্রদানের মাধ্যমে ৩০ ডিসেম্বরে ব্যালট ডাকাতির নির্বাচনের দায়-দায়িত্ব তিনি বর্তমান কর্তৃত্ববাদী সরকারের উপর চাপালেন। এ থেকে দেশবাসীর সামনে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, দেশে সম্পূর্ণ কর্তৃত্ববাদী সরকারের শাসন চলছে। যেখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনারও মুখ খুলে কথা বলতে পারছেন না। আজকে জাতির সামনে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে যে, এই সরকারে অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা আদৌ সম্ভব নয়।

৩০ ডিসেম্বরের কলংকিত তথাকথিত সংসদ নির্বাচন গণতন্ত্রের করর রচনা করেছে। ওইদিন বাংলাদেশের ভোটাররা স্বচক্ষে দেখেছে, তারা বুঝেছে যে, ভোটটা কীভাবে হয়েছে। জনগণই ৩০ ডিসেম্বরের প্রতারণামূলক ভোট ডাকাতির সাক্ষী। দেশকে ধবংসের হাত থেকে জনগণই রক্ষা করবে একদিন । দেশের মানুষ বর্তমান অবস্থার পরিবর্তনের জন্য সচেষ্ট। কিন্তু মুজিবের মেয়ে অবৈধভাবে ক্ষমতা আকড়ে ধরে রাখবে তার দালাল ভারতের চর এর সহযোগিতায়। নুরুল হুদা তার বক্তব্যে এটা প্রমাণ করেছে।

১২ মার্চ ১৯