গত ১৯ জুন পত্রিকান্তরে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল ‘রোগীকে চুমু, চিকিৎসককে অব্যাহতি’। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, রাজধানীর ধানমণ্ডির পপুলার হাসপাতালের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আসায় তাকে স্থায়ীভাবে হাসপাতাল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। চিকিৎসা নিতে আসা ওই রোগী হাসপাতাল বরাবর লিখিত অভিযোগে বলেন, ডা. শওকত হায়দার আপত্তিকরভাবে তার শরীর স্পর্শ করার চেষ্টা করেছেন ও চুমু খেয়েছেন। রোগীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তিনি এই হাসপাতালের কোন শাখাতেই আর কখনও বসতে পারবেন না। উল্লেখ্য যে, ওই তরুণী রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী।

শিক্ষিত ও সভ্য হিসেবে বিবেচিত এসব মানুষের অস্বাভাবিক ও কুৎসিত আচরণ দেখে প্রশ্ন জাগে, কেন এমন হচ্ছে? তারা এমন আচরণ করছেন কোন সাহসে? এরা কি সুযোগ সন্ধানী শিক্ষিত দুষ্কৃতকারী? তা হলে তো এই সমাজে বসবাস করতে হলে নারীদের আরও সচেতন ও কৌশলী হতে হবে। কেউ বলতে পারেন, ওই তরুণী এক ওইভাবে ডাক্তারের কক্ষে গেলেন কেন? পাল্টা কেউ বলতে পারেন, এই সমাজে কি নারীদের কোন সম্মান নেই, তাদের নিরাপত্তা নিয়ে এতো ভাবতে হবে কেন?  অবাক হই শিক্ষিত ও সভ্য গোষ্ঠীর মানুষরাও এখন পশুর মত আচরণ করতে দেখে। অগণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতাসীন হলে একটি স্বাধীন দেশে যা হয় তাই হচ্ছে। কেন সরকার এসব বর্বরতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না?

২৫ জুন১৯