জনগণকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করে কোনো দেশই উন্নতি করতে পারে না। উন্নতি করলেও সেই উন্নয়ন টেকসই হয় না। তিনি বলেন, সরকার মুখে উন্নয়ণের কথা বললেও দেশে এখন যে উন্নতি হচ্ছে তা হলো বিয়ে বাড়িতে একদিনের আলো জ্বালানোর মতো। বিয়ে শেষ তো সব শেষ। গত এক বছরের কিছু বেশি সময়ের মধ্যে দেশে ৩৭৮ জনকে ক্রসফায়ারের নামে আইনশৃংখলা বাহিনীর লোকজন বিনা বিচারে খুন করেছে। দেশের মানুষকে অধিকারহীন করে রাখা হয়েছে। সরকার নিজেই প্রতিনিয়ত সংবিধান লংঘন করছে। রিমান্ডের নামে আদালত থেকেই আদেশ দেয়া হচ্ছে, আবার রিমান্ডে নিয়ে অন্যায় আচরণ করা হচ্ছে। সংবিধানেই যেখানে একজন ব্যক্তিকে সুরক্ষা দেয়া হয়েছে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য না দিতে সেখানে টর্চার করে জবানবন্দী নেয়া হচ্ছে।

দেশে একের পর এক হত্যা, গুম ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। নিজ দেশের নিরহ নাগরিকদের সরকারী এজেন্সি ও পেটুয়া বাহিনী দিয়ে বর্বরোচিত নির্যাতন করা হচ্ছে। এ কেমন রাষ্ট্র? ডিজিএফআই একটা বদের হাড্ডি। কিন্তু এসব নির্যাতন বন্ধে সরকারের ভূমিকা বরাবরের মতোই প্রশ্নবিদ্ধ। তার মানে গুম খুন অপহরণ সবই সরকারের ইশারায় হয়।বাংলাদেশ নির্যাতন বিরোধী কনভেনশন এবং এর পাশাপাশি আরো অনেক আন্তর্জাতিক চুক্তির সদস্য রাষ্ট্র যেখানে নির্যাতন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও এদেশে নির্যাতন নির্মূলে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে (অনুচ্ছেদ ৩১, ৩২ ও ৩৫)। নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যুর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা ও সুনির্দিষ্ট আইন রয়েছে। এসবের পরও নির্যাতন বন্ধে বাংলাদেশের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ।

৩ জুলাই ১৯