বাংলাদেশেও ক্রমশই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। নতুন করে একই পরিবারের আরও তিনজনের শরীরে মিলেছে মারণ চিনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রমাণ। বৃহস্পতিবার রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে একথা জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ। নতুন করে যে তিনজন আক্রান্ত হয়েছেন তাঁরা ইটালি ফেরত এক ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন বলে জানান আবুল কালাম আজাদ। এর আগে বুধবারই বাংলাদেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের COVID-19 সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বুধবার রাতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে বিদেশ থেকে কেউ এলেই তাঁর ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক করেছে সরকার। নিয়ম না মানলে শাস্তিও দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন অন্তত ১ হাজার ৫৪৮ জন। প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে এসেছেন ৭৮ জন। এদিকে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ শনাক্তে বাংলাদেশকে চিন সরকার ৫০০ সেট সর্বাধিক উন্নত কিটস দেবে। চিনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠকে একথা জানান। রাষ্ট্রদূত বলেন, “খারাপ সময়েও চিন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে ভুলে যায়নি।” বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক নাগরিক অর্থ উপার্জনের আশায় বিদেশে যান। তাই মারণ চিনা ভাইরাস দেশে প্রবেশের সম্ভাবনা প্রবল।