সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও ঘনীভূত করোনাভাইরাস আতঙ্ক। যত দিন গড়াচ্ছে, করোনাভাইরাসের হানায় সন্ত্রস্ত হচ্ছে গোটা দুনিয়া। এরই মধ্যে চীন থেকে ‘করোনা ভাইরাস’ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় বিশ্বব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। সবখানে আতঙ্ক। বাংলাদেশে আতঙ্ক ছড়িয়েছে বেশি; সতর্কতা কম। রোগব্যাধি নিয়ে আতঙ্ক নয়, দরকার হলো সতর্কতা ও সচেতনতা। এখনও বাংলাদেশে চীনা নাগরিক এবং প্রবাসীরা প্রবেশ করছে। করছে বহু চীনা নাগরিক দেশে বসবাস। তাদের ব্যাপারে সতর্কতা কম, বিধি নিষেধ কম। আমাদের বিমানবন্দর, স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দর গুলো এখনও সুরক্ষিত বলা যাবে না। কারা আসছে? কোথা থেকে আসছে? ট্রানজিট হয়ে করোনাভাইরাস আক্রান্ত দেশ থেকে কেউ আসছে কি-না তা নিয়ে সতর্কতা নেই, কোন হিসাব নেই। এ অবস্থায় বাংলাদেশে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এমনটা হলে বাংলাদেশের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। করোনাভাইরাস এ দেশে ঢুকে পড়লে দ্রুত মহামারি আকার ধারণ করতে পারে। কারণ আমরা সচেতন নই। এখনও আমাদের দেশের ১৬ কোটি মানুষের বেশিরভাগই এ ভাইরাস সম্পর্কে ধারণা রাখে না। অধিকাংশই শুনছে এ ভাইরাসে মানুষ মারা যায়। সতর্কতার বিষয়ে জানে কম। এদেশে এ ভাইরাস নিয়ে আতঙ্ক আছে বেশ, সতর্কতা নেই। এটা ভয়ানক বিষয়।