বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, পরীক্ষা বাড়ানোর পাশাপাশি লকডাউন ও কোয়ারেন্টিনকে গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, হঠাৎই বাড়তে পারে ভয়াবহতা। সেক্ষেত্রে লকডাউন চালিয়ে যাওয়া, আরো বেশি বেশি টেস্ট করে পজেটিভ রোগী খুঁজে আইসোলেশনে নিয়ে আসা কাজে আসতে পারে। সেনাবাহিনী আজ থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং হোম কোয়ারেন্টিনের বিষয়টি নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা মনে করি, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া এ বিপদ ঠেকানো সম্ভব নয়। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। দেশের সংকটময় সময় বিএনপি জনগণের পাশে দাঁড়ায়নি- আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, কাদের সাহেবকে আমি বলতে চাই, গণতন্ত্রকে যাদুঘরে পাঠিয়েছেন বলেই সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরাকে অপতৎপরতা হিসেবে অভিহিত করছেন। সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরে সমালোচনা করাকে প্রকৃত গণতন্ত্রে অপতৎপরতা হিসেবে গণ্য করে না। আপনাদের গণতান্ত্রিক মানস নেই বলেই সমালোচনা শুনলেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এই মহাদুর্যোগে যখন মানুষ জাতীয় ঐক্যের কথা বলছে তখন ওবায়দুল কাদের সাহেবের বক্তব্য বিভাজন ও বিভেদেরই প্রতিফলন। তিনি আরো বলেন, কী কারণে যেন আপনারা সমালোচনার শঙ্কায় অস্থির থাকেন। করোনা প্রতিরোধ বা মোকাবেলায় বাংলাদেশ যদি এতটাই সক্ষম হতো তাহলে ইউরোপিয়ান, আমেরিকান ও জাপানিরা দেশ ছেড়ে যাচ্ছেন কেন? আমার প্রশ্ন তিনি কোয়ারেন্টিনে থেকে কি বিএনপির সমালোচনা ছাড়া কিছুই বোঝেন না? তিনি বলেন, যখন করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হলো তখন আমরাই রাজপথে নেমেছি, সারা দেশের সর্বত্র প্রথম সচেতনতা শুরু করেছি আমরা। আমরা এবং আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই দুঃসময়ে দেশের সকল রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, শ্রেণি-পেশার সংগঠন অর্থাৎ সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্যোগ মোকাবিলা করার প্রথম আহ্বান জানিয়েছেন।’