এদেশে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কিছু উধাও হওয়ার ঘটনা শোনা যায়। অফিসের মূল্যবান নথিপত্র কিংবা সরকারি টেন্ডারের মালামাল উধাও। এসব ঘটনা হরহামেশাই দেখা যায়। জেলখানা থেকে কয়েদিও উধাও হয়ে যায়। কিছুদিন আগে রিজেন্ট এবং জেকেজি হাসপাতাল থেকে করোনার পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করা নমুনা গায়েব করে মনগড়া রিপোর্ট দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে যা পৃথিবীব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু এবারের ঘটনাটি আরও কৌতূহলী।

করোনার মহামারীতে রোগীদের সেবা দেওয়ার জন্য বানানো হয়েছিল কোভিড বিশেষায়িত হাসপাতাল। প্রায় ৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতর হাসপাতালটি নির্মাণ করেছিল। ২০১৩টি বেড এবং ৭১টি আইসিইউ সংবলিত হাসপাতালটি মানুষের জন্য এক আশার বাণী নিয়ে এসেছিল। বসুন্ধরা গ্রুপ নিজেদের জায়গা দিয়েছিল হাসপাতালটির জন্য। এই মানবিক আবেদনে সাড়া দেওয়া মানুষ বাহ্বা দিয়েছিল। কিন্তু বছর না ঘুরতেই হাসপাতালটি উধাও।

একটি ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিবেদন মতে হাসপাতালটি গায়েব হয়ে গেছে। এদিকে দেশে করোনার ভয়াল পরিস্থিতি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভারী হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। হাসপাতালে বেড খালি নেই। বেড তো দূরের কথা হাসপাতালের বারান্দায়ও ঠাঁই নেই। সবখানে রোগীতে পূর্ণ। রোগীর চাপে হাসপাতাল আর নতুন রোগী ভর্তি নিতে পারছে না। এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ঘোরাঘুরি করে কোথাও জায়গা না পেয়ে অবশেষে অ্যাম্বুলেন্সেই মৃত্যু!